• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু

মিষ্টি খাইয়ে সর্বস্ব লুট

bnnapoleযশোর: যশোরের বেনাপোলে স্ত্রীকে অসুস্থ দেখিয়ে আশ্রয় নিয়ে এক প্রতারক চক্রের সদস্যরা বাড়ির সবাইকে অজ্ঞান করে পরিবারের সর্বস্ব লুট করে নিয়ে গেছে। মঙ্গলবার যশোরের শার্শা উপজেলার সামটা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
প্রতারক চক্রের সদস্যদের দেয়া মিষ্টি খেয়ে গৃহকর্তাসহ ওই পরিবারের পাঁচ সদস্য অজ্ঞান হন। পরে তাদের উদ্ধার করে  প্রতিবেশীরা হাসপাতালে পাঠায়।
আহতরা হলেন- গৃহকর্তা বজলুর রহমান (৪৫), তার স্ত্রী শাহানারা বেগম (৩৫), মেয়ে শিখা খাতুন (২২), মেয়েজামাই জিল্লুর রহমান (২৮) ও নাতনি মিম (৫)।
প্রতিবেশী সিরাজুল ইসলাম জানান, অপরিচিত এক ব্যক্তি সোমবার সন্ধ্যায় তার স্ত্রী অসুস্থ এমন কথা বলে বজলুর রহমানের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। পরে তারা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে গৃহকর্তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। মঙ্গলবার দুপুরে বাজার থেকে মিষ্টি এনে সবাইকে খেতে দেয় এবং নিজেরাও খায়। ওই মিষ্টি খেয়ে বাড়ির সবাই জ্ঞান হারিয়ে ফেলার পর ওরা বাড়ির বাক্স ও আলমারি ভেঙে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থ নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে প্রতিবেশীরা খোঁজ নিয়ে দেখেন সবাই অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে।
গৃহকর্তা বজলুর রহমানের ছেলে তুহিন হোসেন বলেন, আমি ঢাকায় চাকরি করি। সোমবার বিকেলে অজ্ঞাত এক নম্বর থেকে ওরা আমার সঙ্গে কথা বলে। আমাকে একটি ভালো চাকরি দেয়ার কথা বলে বাড়িতে আসতে বলে। বাড়িতে আসার পর সবাইকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পাই। বাড়ির সবাইকে শার্শা উপজেলা হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ